মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় গাজীপুরের টঙ্গীতে মাছের প্রজেক্টের আশপাশের এলাকায় এক বিএনপি নেতাকে চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মাছ বিক্রির ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় শুভ ও সোহান নামে দুজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
আহত শেখ নজরুল ইসলাম (৪৭) টঙ্গীর ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি। তিনি মৃত সিরাজুল হক বাচ্চুর ছেলে।
নজরুল ইসলামের অভিযোগ, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজের মাছের প্রজেক্ট দেখাশোনা করতে যান তিনি। এ সময় প্রজেক্টের আশপাশে কয়েকজনকে মাদক সেবন ও বিক্রি করতে দেখেন। এর আগেও ওই এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দিয়েছিলেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে আবারও মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দিতে গেলে শুভ ও সোহান তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা মাছ বিক্রির ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
নজরুল ইসলামের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুল আলম বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। আমি নিজেই ঘটনাস্থলে গিয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
আহত শেখ নজরুল ইসলাম (৪৭) টঙ্গীর ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি। তিনি মৃত সিরাজুল হক বাচ্চুর ছেলে।
নজরুল ইসলামের অভিযোগ, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজের মাছের প্রজেক্ট দেখাশোনা করতে যান তিনি। এ সময় প্রজেক্টের আশপাশে কয়েকজনকে মাদক সেবন ও বিক্রি করতে দেখেন। এর আগেও ওই এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দিয়েছিলেন তিনি।
অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে আবারও মাদক সেবন ও বিক্রিতে বাধা দিতে গেলে শুভ ও সোহান তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা মাছ বিক্রির ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
নজরুল ইসলামের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুল আলম বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। আমি নিজেই ঘটনাস্থলে গিয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
অনলাইন ডেস্ক